পুরানো সেই দিনের কথা : মাইক্রোসফট মঙ্গলের কথা উইন্ডোজের সমান; বিল গেটস কহেন, শুনে কম্পিউটারবান

Spread the love
বিল গেটস

[১৯৫৫ সালটা জানি কেমন। সে বছরে মারা যান আইনস্টাইন আর জন্ম হয় বিল গেটস আর স্টিভ জবসের। সম্প্রতি এদের দুজনকে নিয়ে কিছু কাজ করছি। এই ফাঁকে ৩১ মে প্রথম আরোর আলমগীর ভাই আমার একটি পুরোনো লেখা খুঁজে পেতে আমাকে পাঠিয়েছেন। সেই ২০০০ সালের ২৩ জানুয়ারি লেখাটা ছাপা হয়েচিল বিজ্ঞান প্রজন্মের পাতা জুড়ে। নস্টালজিয়ার কারনে এটা আমার সাইটে রেখে দিলাম। কোন পাদটিকা যোগ করলাম না। ]
বিশ্বের এক নম্বর ধনী, মাইক্রোসফটের চেয়ারম্যান বিল গেটস সম্প্রতি আচানক শীর্ষ নির্বাহীর পদ ছেড়ে দিয়ে সবাইকে অবাক করেছেন। অনেকে ভাবছেন, যেমনটি বিল বলেছেন, তিনি বেশি বেশি সফটওয়্যারের জন্য সময় দেবেন বলে এই কাজ। শুধু কি সফটওয়্যারে বেশি সময় দেওয়া? নাকি এর পেছনে রয়েছে অনেক কিছু, অন্য কোনো মতলব। ইন্টারনেট ও ব্যুরো রিপোর্টের ভিত্তিতে বিজ্ঞান প্রজন্মের জন্য এই বিশ্লেষণটি করেছেন মুনির হাসান

হার্বাডে পড়ার সময়

স্বর্গে ঈশ্বর খুব চিন্তিত। মর্ত্যলোকের নানা ঘটনাপ্রবাহ দেখে একদিন ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে পৃথিবীর তিনজন সবচেয়ে ক্ষমতাবান ব্যক্তিকে তিনি ডেকে পাঠালেন। এই তিনজন হলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আর মাইক্রোসফটের চেয়ারম্যান বিল গেটস। তিনজনকে ডেকে নিয়ে ঈশ্বর ঘোষণা করলেন, পৃথিবীতে জীবন নিয়ে যে এক্সপেরিপেন্ট তিনি করেছেন তা ব্যর্থ। কাজেই আগামী তিন দিনের মধ্যে এগুলোর সবই তিনি বন্ধ করে দেবেন। অর্থাৎ নিজ নিজ জনগণকে মহাপ্রলয়ের জন্য প্রস্তুত করার জন্য হাতে মাত্র তিন দিন সময় পাওয়া যাবে। পুতিন দুমার একটি জরুরি অধিবেশন ডাকলেন এবং বললেন, ‘আমার কাছে একটি খুবই দুঃসংবাদ আছে। খুবই দুঃসংবাদ। প্রথমত ঈশ্বর একজন আছেন। দ্বিতীয়ত বিপ্লবের পর থেকে আমরা যতকিছু নির্মাণ করেছি তা আগামী তিন দিনের মধ্যে ধ্বংস হয়ে যাবে।
বিল ক্লিনটন বেতার ও টিভিতে মার্কিন জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন (স্টেট অব দি ইউনিয়ন অ্যাড্রেস) এবং বললেন, ‘আমার কাছে সুসংবাদ ও দুঃসংবাদ দুই আছে। সবার আগে ঈশ্বর আছে। আর মানবজাতি ও গণতন্ত্রের বিকাশের জন্য আমরা যা কিছু করেছি তার সবই আগামী তিন দিনের মধ্যে ধ্বংস হয়ে যাবে।’
বিল গেটস মাইক্রোসফটের বোর্ড অফ ডিরেক্টরদের সভা ডেকে ঘোষণা করলেন, ‘বন্ধুরা খুবই আনন্দের সংবাদ! সামনেই চির-আনন্দের দিন। প্রথমত একজন ঈশ্বর আছে এবং তিনি আমার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আলাপ করেছেন। আর বিশ্বাস করুন, আর মাত্র তিন দিন। তারপর থেকে আমাদের আর কখনই উইন্ডোজের ‘বাগ’ (bug) ঠিক করতে হবে না। কাজেই ডু ফূর্তি।
[বিলি জোকস, ইন্টারনেট থেকে]
বাবারও বাবা আছে!
কম্পিউটার জগতের মহাপরাক্রমশালী সাম্রাজ্যের অধীশ্বর বিল অদ্বিতীয় গেটস অবশেষে মাইক্রোসফটের প্রধান শীর্ষ নির্বাহীর (সিইওি) পদ ছেড়েছেন। গত ১৪ জানুয়ারি এই খবর সারা বিশ্বের লোকের সঙ্গে সঙ্গে এই গরিব দেশের লোকেরাও জানতে পেরেছে। ভাবুন, আর কোনো কোম্পানির নির্বাহী পরিবর্তনের খবর পত্রিকায় আসে? বলতে পারবেন বাটা, শেল, আইববিএম কিংবা জেনারেল মোটরের শীর্ষ নির্বাহীদের নাম! পারবেন না। বিল গেটসের নাম আপনি জানেন, কেননা তিনি এই পৃথিবীর সবচেয়ে সম্পদশালী লোক! শুধু যে টাকা আছে তাই নয়, বিল মনে করেন ওই টাকা দিয়ে দুনিয়ার যত ভালো (এবং মন্দ) জিনিস আছে তার সবই সে কিনবে। শুধু ১৯৯৯ সালেই মাইক্রোসফট অনেকগুলো স্টার্টআপ কোম্পানিকে কিনে নিয়েছে। আবার ধরুন নিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির ডায়েরি! কোন ভিঞ্চি ? ওই যে যিনি ভুবন ভোলানো মোনালিসার হাসি এঁকেছেন। সেই লিওনার্দোর নিজ হাতে লেখা ডায়েরির মালিক কে? ওই বিল গেটস। এই ধারা চলতে থাকলে ২০২০ সালে যারা বিসিএস পরীক্ষা দেবেন তারা পড়বেন মোনালিসা ছবির মালিক বিল গেটস, কোহিনুর হীরার মালিক বিল গেটস… ইত্যাদি ইত্যাদি।

বিলের বাড়ি

বিল গেটসের আজ এই প্রতাপের মূল শক্তি হলো মাইক্রোসফট করপোরেশন-পিসি জগতের সফটওয়্যার দানব। বিল মাইক্রোসফটের চেয়ারম্যান এবং ১৪ তারিখের আগ পর্যন্ত ছিলেন চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার।
এখন তিনি শীর্ষ নির্বাহীর পদ ছেড়ে দিয়েছেন স্টিভ বালমারকে। স্টিভ মাইক্রোসফটের প্রেসিডেন্ট এবং দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত (তবে নিন্দুকেরা বলে, মাইক্রোসফটের টু-আই-সি আসলে মাইক্রোসফটের ফার্স্টলেডি বেগম গেটস, যিনি কিনা একই সঙ্গে মাইক্রোসফটের ছয়টি মূল বিভাগের একটির প্রধান এবং বিলের রান্নাঘরের চাবিও তার হাতে)।
বিল গেটসের এই ঘোষণা এসেছে উইন্ডোজ-২০০০-এর আনুষ্ঠানিক বাজারজাতকরণের ঘোষণার পর। মাইক্রোসফট মনে করছে একদা গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (জিইউআই) ও ইন্টারনেট যেভাবে কম্পিউটার শিল্পের মূল চালিকাশক্তি হয়েছিল, সেভাবে এই ‘সবকিছুর উইন্ডোজ’ হবে আগামী দিনের কম্পিউটার জগতের প্রাণভোমরা। তাই এই প্রাণভোমরা বা সফটওয়্যার ক্ষেত্রকে বেশি সময় দেওয়ার জন্যই নাকি বিল গেটস সিইওর পদ ছেড়েছেন। কিন্তু আসলে কেন ছেড়েছেন?
না, জবাবটা এখনো পরিষ্কার করে পাওয়া যায় না।

স্ত্রী মেলিন্দার সঙ্গে ২০০৬ সালো তোলা ছবি

তবে, একটি প্রচলিত গল্প এ রকম:
একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক নিজেকে ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার বলতেন। একদিন বাসায় ফিরে তিনি স্ত্রীকে বলরেন, দেখো, ম্যানেজার হিসেবে তো অনেকদিন হলো, প্রায় সিকি শতাব্দী। তাই আজ থেকে আমি অমুককে আমাদের কোম্পানির ম্যানেজার বানিয়ে দিয়েছি।
আঁতকে উঠে স্ত্রী বললেন, তাহলে তুমি?তোমার কী হবে?
একটু হেসে ম্যানেজার সাহেব বললেন, আজ থেকে আমি কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার হলাম।
পাদটীকা: সিইওর পদ ছাড়ার পর বিল গেটস নিজের জন্য একটা নতুন পদ সৃষ্টি করেছেন-শীর্ষ সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট (সিএসএ)। এখন থেকে তিনি মাইক্রোসফটের সিএসএ এবং চেয়ারম্যান।
সব কিছুর উইন্ডোজ: নতুন আশা
উইন্ডোজ ২০০০কে কেন্দ্র করে মাইক্রোসফট গড়ে তুলবে পরবর্তী প্রজন্মের উইন্ডোজ সার্ভিস, যা হবে ইন্টারভিত্তিক (NGWS-Next Generation Windows Service)। এতে থাকবে নতুন পণ্য ও সেবা। নতুন যেসব ফিচার অন্তর্ভুক্ত হবে তার কয়েকটি হলো-নতুন ইউজার ইন্টারফেস, ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ প্রসেসর, অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট অ্যাপ্রোচ, নতুন ফাইল সিস্টেম ইত্যাদি। এনজিডবিউএসের গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপাদান ইন্টারনেটে হোস্ট করা থাকবে এবং এগুলো উইন্ডোজের পরবর্তী ভার্সনে একীভূতি করা হবে।
নতুন শীর্ষ নির্বাহী স্টিভ আশা করেন, ভবিষ্যতের চাবিই হলো সফটওয়্যার। সফটওয়্যারের জন্যই উদ্ভাবিত হবে নতুন হার্ডওয়্যার, উন্মোচিত হবে ওয়্যারলেস, ব্রন্ডব্যান্ড কিংবা ই-কমার্সের নতুন দিগন্ত। তার আশা, উইন্ডোজ ২০০০ মাইক্রোসফটের লাখ লাখ গ্রাহক ও অংশীদারদের জন্য খুলে দেবে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার। [এবং তিনি যা বলেননি তাহলো-আর এভাবে আমাদের সম্পদের পাহাড়, ক্রমাগত হিমালয় হবে। একটা সময় আসবে যখন পাবলিক টয়লেটের দরজাগুলোও হবে উইন্ডোজ পরিচালিত। অর্থাৎ যতবারই আপনি…। হেঁ হেঁ। আমাকে দিতে হবে ডলার!]
টমাস পেনফিল্ডের খবর
এদিকে দেখা যাক, ইউএস ফেডারেল বিচারক টমাস পেনফিল্ডের কী খবর। এপির ভাষ্যকার টেড ব্রিদিস জানুয়ারির ১২ তারিখে একটি মজার খবর জানিয়েছেন। তিনি জানাচ্ছেন-মাইক্রোসফটকে তিন টুকরো করার ব্যাপারে সরকারি আইনজীবীরা অনেকাংশে একমত হয়েছেন। পাঠকের নিশ্চয়ই মনে আছে, কিছুদিন আগে সরকারি কৌসুলিরা বিচারক টমাস পেনফিল্ডকে দিয়ে বলিয়ে নিয়েছেন যে, মাইক্রোসফটের একচেটিয়া কারবার আখেরে কম্পিউটার শিল্পের জন্য ভালো হবে না।
জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে ১৯টি অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নিরা এক সভায় মিলিত হয়ে মাইক্রোসফট ও বিল গেটসের পাখা কীভাবে ভাঙা যায় তা নিয়ে অনেক গুজুর গুজুর করেছেন। তবে তাদের এই মিটিংয়ের ব্যাপারে ইউএস সার্কিট জজ রিচার্ড পোসনার একটু ক্ষুব্ধ হয়েছেন। কারণ বর্তমানে তিনিই মাইক্রোসফটের সঙ্গে সমঝোতা আলাপ চালাচ্ছেন। অবশ্য এখন পর্যন্ত সরকার ও মাইক্রোসফটের কৌঁসুলিরা নিজেদের অবস্থান থেকে একটুও সরেনি।
সরকারি কৌঁসুলিদের ধারণা-মাইক্রোসফটের ‘মৃত্যুদন্ডে’র হুমকি বিল ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের বেশ মুশকিলে ফেলবে। সে ক্ষেত্রে বিল হয়তো মাঝামাঝি কোনো সলিউশন (দুই দশক আগের আইবিএম-এর মতো) মেনে নেবে।
আমাদের ধারণা, ইউএস সরকারি কৌঁসুলিরা মনে হয় বিলকে কিছুটা হলেও ‘আন্ডার এস্টিমেট’ করছেন। কেননা দীর্ঘ ২৫ বছরে যে সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন বিল তা কলমের এক খোঁচায় ভেঙে যাবে তা তিনি মানবেন না। তাই মাইক্রোসফটের একটা কৌশল হতে পারে আদালতে দীর্ঘকাল (জীবনব্যাপী) সময় ক্ষেপণ করা! [আর আমেরিকার আদালত যদি আমাদের মতো হয় তাহলে মামলা বিলের নাতি পর্যন্ত গড়াতে পারে।]
আমেরিকা সরকারের আইন বিভাগ অবশ্য তাদের কোনো পরিকল্পনা নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনায় উত্সাহী নয়। কারণ এর সঙ্গে আমেরিকার সবচেয়ে সফল কোম্পানিটি জড়িত (শুধু ১৯৯৯ সালে মাইক্রোসফটের বিক্রি হলো ১৯ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার)।
তবে সম্ভাবনাগুলোর একটি হলো মাইক্রোসফটকে একটি অপারেটিং সিস্টেম ও অপরটি অ্যাপ্লিকেশন সিস্টেম-এই দুটো কোম্পানিতে ভাগ করা। আর একটি সম্ভাবনা হলো-কয়েকটি প্রতিরূপ কোম্পানি, যেগুলোর নাম হবে ‘বেবি বিল’ তৈরি করা, যারা পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। সমালোচকরা অবশ্য সতর্ক করে দিয়েছেন এই বলে যে, উইন্ডোজের প্রতিদ্বন্দ্বী ভার্সন শেষ পর্যন্ত সব কম্পিউটারে একইভাবে চলার নিশ্চয়তা দেবে না!
মার্কিন ফেডারেল বিচারক টমাস পেনফিল্ডের এজলাসে আগামী মাসে ফের শুনানি শুরু হবে এই মামলার।

ঝেড়ে কাশো তো বাবা!
হাইটেক বিশ্লেষণী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেটা করপোরেশন মনে করে সরকারের সঙ্গে বেশি লাগালাগিতে না গিয়ে বিল অ্যান্ড কোং যদি নিজেরাই কোম্পানিটি ভাঙাভাঙি করে নেয় তাহলেই ‘সবচেয়ে ভালো সমাধান’ হয়।
স্টিভ বালমারের সঙ্গে বিল গেটসের সম্পর্ক অনেক দিনের। ১৯৯৮ সালে স্টিভকে মাইক্রোসফটের প্রেসিডেন্ট বানানোর সময় বিল এই দিকটাকেই প্রাধান্য দিয়েছিল। সিইও বানানোর ক্ষেত্রেও এটি প্রাধান্য পেয়েছে কিনা কে জানে!
খোদা না করুন, যদি শেষ পর্যন্ত বিলের সাম্রাজ্য কয়েক টুকরো হয়েই যায় তাহলে বিল গেটস কীভাবে সব ছড়ি নিজের হতে রাখবেন?
আমাদের হাতে খুব বেশি তথ্য নেই-তবে আমরা এই আলোচনা আমাদের দেশের একজন সাংসদকে দিয়ে শেষ করতে চাই। এই সাংসদ সম্প্রতি চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চন্দ্রিমা হাউজিং প্রকল্পের প্রকল্পের বরাদ্দ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, উক্ত বরাদ্দে তার পরিবারের লোকেরই নাকি মোট ১১টি প্লট পেয়েছে। পত্রিকায় লিখেছে, মহামান্য সাংসদের বাড়ির কাজের লোকের নামেও নাকি প্লট বরাদ্দ করা হয়েছে।

সপরিবারে

কাজেই উক্ত সাংসদ যদি বিল গেটসের বন্ধু হন তাহলে তিনি তাকে এই পরামর্শ দিতে পারেন-
মাইক্রোসফটকে ভেঙে কয়েক টুকরো করো, নিজে নিজে, সরকারের আগে।
এক অংশ তোমার
এক তোমার তোমার স্ত্রীর।
এক অংশ তোমার গাড়ির ড্রাইভারের।
এক অংশ তোমার বাড়ির মালির।
এক অংশ তোমার কোনো বন্ধুর
[তুমি যে নিজেই সব নাওনি সেটা বোঝানোর জন্য শেষের তিনটি খুব জরুরি।]
আগামী দিনগুলোতে বিল ও উইন্ডোজের ঘটনাবলি কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে আমরা জানি না। তবে ভবিষ্যতে বাচ্চারা রচনা প্রতিযোগিতায় আমার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে ‘বিল গেটস হওয়া’কে বেছে নেবে তাতে খুব একটা সন্দেহ নেই।

 

 

(সেই সময়কার বেশিরভাগ ভবিষ্যদ্বানীই এখন পর্যন্ত ঠিক প্রমাণিত হয়নি, একটি ছাড়া। সেটি হল বিলকে তখন যথেস্ট আন্ডার এস্টিমেট করেছিলেন পেনফিল্ডরা।)

 

 

2 Replies to “পুরানো সেই দিনের কথা : মাইক্রোসফট মঙ্গলের কথা উইন্ডোজের সমান; বিল গেটস কহেন, শুনে কম্পিউটারবান”

  1. বিল গেটস আসলে গড বিলিভ করে কি করে না, এটা এখানকার মানুশদের একটা বিশেষ প্রশ্ন। অনেক আলোচনা অনুষ্ঠানে উনাকে ঘুরিয়ে পেছিয়ে জিজ্ঞাসা করা হইছে কিন্তু এখনও কোন উত্তর পাওয়া যায় নাই 🙂 , অনেক কমেডিয়ান রাও এটা মাঝে মাঝে উল্লেখ করেন।

    আপানার লিখাটা পড়ে অনেক ভালো লাগলো।

Leave a Reply Cancel reply

Exit mobile version